দ্বিতীয়বারের মতো সারাদেশে অস্বচ্ছল মাদরাসা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে কোরআন বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে (ইকো) আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা। প্রতি রমজানের পর নতুন বছরে সারাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে কোরআন বিতরণ। যেহেতু মহামারী করোনার কারণে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল তাই এ বছর রমজান পরবর্তী সময় কোরআন বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিক হিফজুল কোরআন বিভাগ খুলে দেয়া হয়েছে এবং আশা করা যাচ্ছে খুব শীগ্রই সমস্ত মাদারিসে কওমিয়া খুলে দেওয়া হবে, তাই আগস্টের মাঝামাঝি সময় আনুষ্ঠানিকভাবে কোরআন বিতরণ কার্যক্রমের শুরু হবে বলে জানিয়েছেন, (ইকো) আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা মহাসচিব শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী হাফিজাহুল্লাহ।
তিনি বলেন অনেক মাদরাসা অর্থ সংকট ও অভিভাবকদের অবহেলার কারণে ছাত্ররা ভালো মানের কোরআন শরীফ পাচ্ছে না, বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে এর প্রভাব খুব বেশী, এবং অনেক অস্বচ্ছল মেধাবী ছাত্ররাও ছিড়া ফাঁটা কোরআন শরীফ দিয়েই তারা হিফজ পড়ছে, এতেকরে কোরআনের সাথে এক প্রকারের অবমাননা হচ্ছে, দ্বিতীয়ত ব্যক্তিগত কোরআন শরীফ না থাকায় একেক সময় একেকটি কোরআন শরীফ দিয়ে হিফজ করে যাচ্ছে ছাত্ররা, যা বিজ্ঞ ক্বারীদের নজরে ছাত্রদের জন্য খুবই ক্ষতিকর।কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন: হিফজ ছাত্রদের “মুখস্থ” করার ক্ষেত্রে একটি কোরআন দিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আত্মস্ত করা আবশ্যক, কেনন হিফজ পড়ার সময় বিভিন্ন যায়গায় ভুল, লোকমা, চিহ্ন থাকে, যা পরবর্তি সময় সংসধ্বনে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখে, এ বিষয়গুলো স্বচ্ছল অসচ্ছল মেধাবী বা সাধারণ সমস্ত শিক্ষার্থীদের গুরুত্ব দিয়ে খেয়াল করার কথাও তিনি বলেন।তিনি আরো বলেন: এ সমস্যা ধুর করতেই আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা প্রতিবছর এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকেন। আল্লাহর সাহায্যে এবং সকলের স্বতসফূর্ত অংশগ্রহণেই সম্ভব, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা ও এই বিষয়ে সচেতন করা।